আবহাওয়া ও জলবায়ু (Class 11) – গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি অনলাইনার প্রশ্ন ও উত্তর
West Bengal HS Class 11 Geography First Semester
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তর ও উপাদানে গঠিত। এই বায়ুমণ্ডলের মধ্যে প্রতিনিয়ত তাপমাত্রা, বাতাসের চাপ, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে পরিবেশে যে তাৎক্ষণিক অবস্থা সৃষ্টি হয়, তাকেই বলা হয় আবহাওয়া। অপরদিকে, দীর্ঘদিনের আবহাওয়ার গড় অবস্থা বা বিশেষ অঞ্চলের নির্দিষ্ট সময়ে যে আবহাওয়ার ধরণ দেখা যায়, তাকেই জলবায়ু বলা হয়।
আবহাওয়া ও জলবায়ু — দুটিই প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক। এগুলি কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ, জনজীবন এবং জীববৈচিত্র্যের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আবহাওয়ার পরিবর্তন তাৎক্ষণিক হতে পারে, আর জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে দীর্ঘকাল ধরে।
এই অধ্যায়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস, আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান, রকমফের, কারণ, বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনা (বৃষ্টি, তাপমাত্রা, বাতাসের গতি) এবং তার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়াও, ওজোন স্তর, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, মৌসুমি বায়ু ইত্যাদির ভূমিকা এই অধ্যায়ে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই অধ্যায় ছাত্রছাত্রীদের প্রাকৃতিক পরিবেশ বুঝতে ও প্রকৃতির পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে বিশেষ সহায়ক।
আবহাওয়া ও জলবায়ু (Class 11) – গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি অনলাইনার প্রশ্ন ও উত্তর
1️⃣ আবহাওয়া বলতে বোঝায় — স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা।
2️⃣ জলবায়ু বলতে বোঝায় — দীর্ঘ সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় গড় অবস্থা।
3️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল গঠিত — ৫টি স্তর নিয়ে।
4️⃣ ট্রপোস্ফিয়ারের গড় উচ্চতা — ১২ কিমি।
5️⃣ বিষুবরেখার কাছে ট্রপোস্ফিয়ারের উচ্চতা — ১৮ কিমি।
6️⃣ পৃথিবীর আবহাওয়া সংঘটিত হয় — ট্রপোস্ফিয়ারে।
7️⃣ পৃথিবীর প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ — ওজোন স্তর।
8️⃣ আবহাওয়া ও জলবায়ু অধ্যয়নের বিজ্ঞান — মেটিওরোলজি।
9️⃣ ওজোন স্তর অবস্থান করে — স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে।
🔟 পৃথিবীর আবহাওয়ার প্রধান শক্তি উৎস — সূর্য।
1️⃣1️⃣ উল্কাপিণ্ড পুড়ে যায় — মেসোস্ফিয়ারে।
1️⃣2️⃣ বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র — রেনগেজ।
1️⃣3️⃣ বাতাসের আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র — হাইগ্রোমিটার।
1️⃣4️⃣ তাপমাত্রা পরিমাপের একক — সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট।
1️⃣5️⃣ বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্র — ব্যারোমিটার।
1️⃣6️⃣ বিশ্বের উষ্ণতম স্থান — ডেথ ভ্যালি, যুক্তরাষ্ট্র।
1️⃣7️⃣ মেরুপ্রভা দেখা যায় — আয়নোস্ফিয়ারে।
1️⃣8️⃣ দিন ও রাত সমান হয় — বিষুব দিনে।
1️⃣9️⃣ বসন্ত বিষুব হয় — ২১ মার্চ।
2️⃣0️⃣ শরৎ বিষুব হয় — ২৩ সেপ্টেম্বর।
2️⃣1️⃣ গ্রীষ্মকালীন দ্রাঘিমাংশ — ২১ জুন।
2️⃣2️⃣ শীতকালীন দ্রাঘিমাংশ — ২২ ডিসেম্বর।
2️⃣3️⃣ আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ — সূর্যতাপ।
2️⃣4️⃣ সর্বাধিক ওজোন ঘনত্ব — স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে (১৫-৩৫ কিমি)।
2️⃣5️⃣ মেঘ গঠনের প্রধান উপাদান — জলীয় বাষ্প।
2️⃣6️⃣ বৃষ্টির প্রকারভেদ — কনভেকশনাল, রিলিফ, সাইক্লোনাল।
2️⃣7️⃣ নিম্নচাপ অঞ্চলে বাতাস — বাইরে থেকে কেন্দ্রে যায়।
2️⃣8️⃣ উচ্চচাপ অঞ্চলে বাতাস — কেন্দ্র থেকে বাইরে যায়।
2️⃣9️⃣ কুয়াশা গঠন হয় — জলীয় বাষ্পের ঘনীভবনে।
3️⃣0️⃣ আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলতে বোঝায় — বাতাসে বিদ্যমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণ।
3️⃣1️⃣ জলীয় বাষ্পের পরিমাপ হয় — পারসেন্টেজে।
3️⃣2️⃣ ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য — শুষ্ক গ্রীষ্ম, স্নিগ্ধ শীত।
3️⃣3️⃣ উদ্ভিদ বৃদ্ধির অনুকূল জলবায়ু — নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু।
3️⃣4️⃣ বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ঘন স্তর — ট্রপোস্ফিয়ার।
3️⃣5️⃣ বৃষ্টিপাতের একক — মিলিমিটার।
3️⃣6️⃣ পৃথিবীর চারটি ঋতু — গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত, শরৎ।
3️⃣7️⃣ জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০% হলে — বৃষ্টিপাত হয়।
3️⃣8️⃣ বাতাসের গতি মাপার যন্ত্র — অ্যানিমোমিটার।
3️⃣9️⃣ বাতাসের দিক জানার যন্ত্র — ওয়েদারকক।
4️⃣0️⃣ সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয় — বিষুব অঞ্চলে।
4️⃣1️⃣ জলবায়ুর প্রধান নিয়ামক — ভৌগোলিক অক্ষাংশ।
4️⃣2️⃣ মেঘের উচ্চতা মাপার যন্ত্র — নেফোস্কোপ।
4️⃣3️⃣ পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রাপ্ত স্থান — মৌসিনরাম, মেঘালয়।
4️⃣4️⃣ নিম্নচাপ অঞ্চলকে বলা হয় — ডিপ্রেশন।
4️⃣5️⃣ ঘূর্ণিঝড়ের আরেক নাম — সাইক্লোন।
4️⃣6️⃣ পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক স্থান — আটাকামা মরুভূমি।
4️⃣7️⃣ গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্য থাকে — উত্তর দিকে।
4️⃣8️⃣ ফ্রন্ট হলো — দুই ভিন্ন বায়ুমণ্ডলীয় অঞ্চলের সংযোগস্থল।
4️⃣9️⃣ আবহাওয়া বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা — WMO।
5️⃣0️⃣ সর্বাধিক জলীয় বাষ্প থাকে — ট্রপোস্ফিয়ারে।
5️⃣1️⃣ আয়নোস্ফিয়ারে ঘটে — রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলন।
5️⃣2️⃣ পৃথিবীর কার্যকর বায়ুমণ্ডলের গড় উচ্চতা — প্রায় ১০,০০০ কিমি।
5️⃣3️⃣ পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল স্থান — অ্যান্টার্কটিকা।
5️⃣4️⃣ উচ্চতায় বাড়ার সঙ্গে বাতাসের চাপ — কমে।
5️⃣5️⃣ মেঘ হলো — জলীয় বাষ্পের ক্ষুদ্র কণা।
5️⃣6️⃣ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র — থার্মোমিটার।
5️⃣7️⃣ সূর্যতাপ পৃথিবীতে আসে — বিকিরণের মাধ্যমে।
5️⃣8️⃣ অতি বৃষ্টি হলে — বন্যা হয়।
5️⃣9️⃣ মৌসুমি বায়ুর বৈশিষ্ট্য — ঋতুভিত্তিক দিক পরিবর্তন।
6️⃣0️⃣ বায়ু প্রবাহিত হয় — উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে।
6️⃣1️⃣ আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে — ঘণ্টায়, দিনে।
6️⃣2️⃣ জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটে — শতাব্দীতে।
6️⃣3️⃣ বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় — জুন-সেপ্টেম্বর।
6️⃣4️⃣ ঠান্ডা বাতাসের ঘনত্ব — বেশি।
6️⃣5️⃣ উষ্ণ বাতাসের ঘনত্ব — কম।
6️⃣6️⃣ বজ্রপাত বেশি ঘটে — উষ্ণ ও আর্দ্র অঞ্চলে।
6️⃣7️⃣ বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয় — নিম্নচাপ এলাকায়।
6️⃣8️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ — প্রায় ৭৮%।
6️⃣9️⃣ অক্সিজেনের পরিমাণ — প্রায় ২১%।
7️⃣0️⃣ গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে — কার্বন ডাই-অক্সাইড।
7️⃣1️⃣ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস (জীবের জন্য) — অক্সিজেন।
7️⃣2️⃣ ঝড় বৃষ্টি হয় — নিম্নচাপ অঞ্চলে।
7️⃣3️⃣ বৃষ্টিপাত বেশি হয় — বিষুব অঞ্চলে।
7️⃣4️⃣ পৃথিবীর মৌসুমের সংখ্যা — ৪টি।
7️⃣5️⃣ সবচেয়ে বেশি ওজোন ঘনত্ব থাকে — স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে।
7️⃣6️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ — প্রায় ০.০৩%।
7️⃣7️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে হালকা গ্যাস — হাইড্রোজেন।
7️⃣8️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ভারী গ্যাস — কার্বন ডাই-অক্সাইড।
7️⃣9️⃣ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে বাতাসের ঘনত্ব — কমে।
8️⃣0️⃣ পৃথিবীর আবহাওয়া প্রধানত নিয়ন্ত্রিত হয় — সূর্য দ্বারা।
8️⃣1️⃣ সূর্যরশ্মির পৃথিবীতে প্রবেশপথ — বায়ুমণ্ডল।
8️⃣2️⃣ গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী — কার্বন ডাই-অক্সাইড।
8️⃣3️⃣ আয়নোস্ফিয়ার স্তরের আরেক নাম — থার্মোস্ফিয়ার।
8️⃣4️⃣ বজ্রপাতের শব্দকে বলে — থান্ডার।
8️⃣5️⃣ বজ্রপাতের আলোককে বলে — লাইটনিং।
8️⃣6️⃣ এক দিনে সর্বাধিক তাপমাত্রা পাওয়া যায় — দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে।
8️⃣7️⃣ পৃথিবীর সবচেয়ে ঠান্ডা স্থান — ভস্টক, অ্যান্টার্কটিকা।
8️⃣8️⃣ সূর্যের বিকিরণ মাপার যন্ত্র — পাইরোমিটার।
8️⃣9️⃣ সূর্যতাপ শোষণকারী গ্যাস — কার্বন ডাই-অক্সাইড।
9️⃣0️⃣ সূর্যতাপ প্রতিফলনকারী মেঘ — সাইরাস মেঘ।
9️⃣1️⃣ উষ্ণতম মেঘ — নিম্বোস্ট্র্যাটাস।
9️⃣2️⃣ তাপমাত্রার দৈনিক পার্থক্য বেশি হয় — শুষ্ক অঞ্চলে।
9️⃣3️⃣ সূর্য বিকিরণের পরিমাণ নির্ভর করে — সূর্যের উচ্চতা ও মেঘমালার উপর।
9️⃣4️⃣ এক্সোস্ফিয়ার স্তর প্রধানত গঠিত — হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে।
9️⃣5️⃣ পৃথিবীতে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার জায়গায় বাতাসের চাপ — প্রায় ১ কেজি।
9️⃣6️⃣ বাতাসের চাপ সর্বাধিক — সমুদ্রপৃষ্ঠে।
9️⃣7️⃣ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলীয় চাপের একক — মিলিবার।
9️⃣8️⃣ ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু পাওয়া যায় — দক্ষিণ ইউরোপে।
9️⃣9️⃣ উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় — জুন-সেপ্টেম্বর।
1️⃣0️⃣0️⃣ দক্ষিণ গোলার্ধে বর্ষাকাল — ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি।
✍️ অফলাইন ইংরাজী ক্লাস
CLASS - XI[NOTE : নিচে 30 টা MCQ দেওয়া আছে, বাংলায় explanation সহ]
নিচে প্রতিটা লাইনের বঙ্গানুবাদ দেওয়া আছে
Weather and climate – First Semester Class 11
এই টপিক থেকে প্র্যাক্টিস কুইজে অংশ নিতে নিচে দেওয়া বক্স এ start button এ ক্লিক করুন।
আমাদের বিভিন্ন অফলাইন কোর্স সম্পর্কে বিষদে জানতে নিচে দেওয়া লিংক ক্লিক করে যোগাযোগ করুন আমাদের সঙ্গে – Sahajpath Classes Contact
MORE FROM ENGLISH CLASS 12 TEXTBOOK
- Riders to the Sea by J. M. Synge – MCQ WITH EXPLANATION: Based on the “SECOND PAGE”
- Riders to the Sea by J. M. Synge – MCQ WITH EXPLANATION: Based on the “FIRST PAGE”
- The Night Train at Deoli by RUSKIN BOND class 12
- Strong Roots by APJ Abdul Kalam class 12
- Ulysses by Alfred Lord Tennyson class 12
- Riders to the Sea by J. M. Synge – Part 4 – Last Part
- The Bet – Anton Chekhov – MCQ with explanation of Part 01
- Our Casuarina Tree by Toru Dutt
- Mock Test on “Riders to the Sea” by J.M. Synge
- Riders to the Sea by J. M. Synge – Part 3 – Third Semester Class 12
- Riders to the Sea by J. M. Synge – Part 2 – Third Semester Class 12
- Riders to the Sea by J. M. Synge – Part 1 – Third Semester Class 12